অমল গুপ্তর গুপ্তজীবন
অমল গুপ্তর গুপ্তজীবন
অরিন্দম
বসু
গাঙচিল
মূল্য
ঃ একশো পঁচাত্তর টাকা
বইটি
নতুন নয় -প্রকাশকাল ২০১১; লেখা
হয়েছিল তারও এক যুগ
আগে- ছাপা হয় নি।
বস্তুত কোন বইটি নিয়ে
আলোচনা করব ভাবতে গিয়ে
প্লেটোর অ্যালিগরি অফ কেভের কথা
মনে হল- গুহায় বন্দীরা
শিকলে বাঁধা, মাথা ঘুরিয়ে পর্যবেক্ষণ
সম্ভব নয়; বন্দীদের
পিছন দিকে অগ্নিকুন্ড -তারই
সামনে দিয়ে কিছু মানুষ
নানা আকার আয়তনের বিবিধ
সামগ্রী নিয়ে চলাফেরা
করছে- বন্দীদের
সামনের দেওয়ালে সেই বস্তুগুলিরই ছায়া; বন্দীরা
সেই সব ছায়াদের নাম
দিচ্ছে নিজের মতো করে; সামগ্রীবাহক
মানুষেরা পরস্পরের সঙ্গে যে কথা বলছে
তা গুহার দেওয়ালে প্রতিধ্বনিত - বন্দীরা ভাবছে ছায়ারাই কথা বলছে বুঝি।
বন্দীদশা থেকে একজন মুক্তি
পেল- আচম্বিতেই;
গুহার বাইরে এলো সে। হয়তো
মধ্যদিন। প্রখর দিবালোকে তার চোখ ধাঁধিয়ে
গেল, চোখ
খুলতেই পারল না প্রথমে,
তারপর অভ্যস্ত হয়ে গেল- বহির্বিশ্বের সৌন্দর্য দেখল নয়ন ভরে।
সে চাইল বন্দীদের গুহার
বাইরের জীবন, তার সৌন্দর্যের কথা
জানাতে- আবার গুহায় ফিরবে
সে।
এই রূপকটি ঈষৎ ভিন্নভাবে দেখছিলাম। চারদিকে
যেটুকু যা চোখে পড়ে
তাতে পাঠকের কাছে পৌঁছোনোর, পুরস্কার
গ্রহণের এবং সেহেতু বিজ্ঞাপিত হওয়ার
এক উদগ্র ব্যগ্রতা দেখতে পাই - এক
গুহার আঁধার তৈরি হয়েছে এখানে; বাইরে
এলে তমসা গাঢ় নয়,
আলো দেখা যায়; অন্যায্য
ব্যগ্রতা নয়, পাঠকের জন্য
অনন্ত অপেক্ষা চোখে পড়ে কখনও
- তারই একটি কণা টুকিয়ে
নিয়ে আবার অন্ধকারে ফিরেছি
- গুহাবাসীকে অন্তত
একটি শান্ত প্রতীক্ষার কথা জানাবো। এইটুকু
কর্তব্য ভাবি, দায়বদ্ধতা মনে করি।
"অমল
গুপ্তর গুপ্তজীবন" উপন্যাসটির কেন্দ্রে একজন খ্যাতনামা বাঙালী
লেখক ও তাঁর লেখালেখির
আশ্চর্য জগৎ। ভূমিকায় উপন্যাসটির
বীজের কথা রয়েছে; জানতে
পারছি, লেখক অরিন্দম বসুকে
উপন্যাসটি লিখতে বলেছিলেন কেন্দ্রীয় চরিত্র স্বয়ং; কাহিনীর নামকরণটিও তাঁরই যদিও একই শিরোনামে
সেই সাহিত্যিকের একটি ছোটো গল্প
রয়েছে। কেন্দ্রীয় চরিত্র বিখ্যাত লেখক, কিন্তু উপন্যাসটি তাঁর নিছক জীবনী
নয়। একজন
লেখকের আশ্চর্য নিজস্ব জগৎ যা তাঁরই
সৃষ্ট- তাঁর নিজস্ব জীবনবোধ,
স্মৃতি, জিজ্ঞাসা দিয়ে গড়া সে
জগৎ আর বাস্তব জীবনের
মধ্যে তাঁর চলাচল; ভিন্ন
দুই জগতের যোগাযোগ, বিচ্ছিন্নতা এবং দুটি জগতের ঘর্ষণজনিত স্ফুলিঙ্গ রয়েছে যা শিল্পের জন্ম
দেয়। উপন্যাসের অপর চরিত্র নবীন
এক লেখক যিনি অগ্রজর
বাস্তব ও অন্য জীবনটির
দর্শক। নবীন ও প্রবীণের
ইন্টার্যাকশনে জীবনের সত্য ও রহস্য
একই সঙ্গে উন্মোচিত ও ছায়াবৃত।
ব্লার্বে,
ভূমিকায় এবং কাহিনীতে উপন্যাসের
কেন্দ্রীয় চরিত্রের প্রকৃত নাম অনুল্লেখিত;
এই পাঠপ্রতিক্রিয়ায় সেই ধারা বজায়
রইল। বইটির
একটি কৌতুহলোদ্দীপক বৈশিষ্ট্য এই যে উপন্যাসটি
উৎসর্গ করা হয়েছে একালের
শ্রদ্ধেয় এক লেখককে, প্রকাশনাও
আর এক লেখকের - সব
মিলিয়ে এ বইয়ের সবখানে
কোনো না কোনো লেখক
উপস্থিত। এ সবই বহিরঙ্গের
কথা।
মলাট,
ব্লার্ব, উৎসর্গপত্র ও ভূমিকা পেরিয়ে
উপন্যাসে ঢুকেই কেন্দ্রীয় চরিত্রের সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। প্রথম
লাইনে নতুন একটি দিনের
সঙ্গে দেখা হবে বলে
রাস্তায় এসে দাঁড়ান কাহিনীর
মূল চরিত্র অমল গুপ্ত; প্রথম পৃষ্ঠাতেই তাঁর স্বগতোক্তি শুনছে
পাঠক। শুনছে, " আসলে আমি একটি
শিলনোড়া। নিজেকেই বেশ করে বেটে
মাখোমাখো করে আমি নিজের
লেখায় মিশিয়ে দিতে চেয়েছি। আমারই
নিজের হাতে রান্না।"
কেন্দ্রীয় চরিত্র খ্যাতনামা লেখ্ককে চিনে ফেলি তদ্দন্ডে-
এ’ সবই যেন সেই
লেখকের কুন্দেরা কথিত একজিস্ট্যানশিয়াল কোড।
পুরাতন সাহিত্য সংখ্যায় তাঁর লেখা মনে
পড়ে যায়-
"ঘুরে ফিরে যার কথা
লিখতে চেয়েছি, সে আমারই জানাশোনা
একজন লোক...। তার মজা,
তার আনন্দ। কল্পনায় তার গুলি চালানো,
স্বপ্নে তার ডানা মেলে
ওড়া। এই লোকটিকে কখনও
শস্তার ফার্নিচারের দোকানদার হিসেবে গাঁয়ের
বুনো তেঁতুলগাছ কিনতে পাঠিয়েছি। এই লোকটিই খুনের
বাড়ি ভাড়া নিচ্ছে। আবার...
এক -এক বিপদে জড়িয়ে
সেই বিপদের ঢেউয়ের চূড়ায় পাক খেয়ে আরেক
বিপদে গিয়ে আছড়ে পড়ছিলাম।
যখন পড়ছিলাম, তখন জানতামই না
এ সব আসলে বিপদ।
তখন মনে হচ্ছিল স্রেফ
খেলা।... জীবনটাকে চুরুট করে পোড়ালে আগুনের
মাথায় দেড় ইঞ্চি ছাই
লেখার অনুপান করা যায় কি?"
কাহিনীর
বর্ণনা করা পাঠপ্রতিক্রিয়ার আওতায়
আসে না। যতটুকু ব্লার্বে
রয়েছে তার সামান্যই বলে
নিয়ে আলোচনায় ফিরব। ব্লার্বে
কাহিনীর চুম্বকটুকু মোটামুটি এই- " সেই লেখককে নিয়ে
এই উপন্যাস যিনি... বার বার নিজেকে
বদলে নিয়ে একই জীবনের
মধ্যে স্বাদ পেতে চান বহু
জীবনের। .. এই জীবনের অনেক
কথা জানে তাঁর চেয়ে
অনেক ছোটো, তাঁরই বন্ধু আর এক লেখক।
তাকেই তিনি একদিন আশ্চর্য
এক প্রস্তাব জানান। জীবন ফুরিয়ে যাওয়ার
আগে তিনি চলে যেতে
চান অন্য কোনো কোষে,
অন্য কোনো শরীরে।" এইটুকু
থেকেই বোঝা যায় উপন্যাসটির
অভিনবত্ব- অলীক আর বাস্তব
যেখানে পাশাপাশি। বই হাতে পেয়ে পড়ে
ফেলেছিলাম একাসনে। উপস্থাপনায়,
অভিব্যক্তিতে অভিনব্ত্ব, মায়া,
দরদ।
যেমন, এক
জ্যৈষ্ঠের সন্ধ্যায় একটি মেয়ে গান
গাইছে। তা লেখা হল
এই ভাবে-ঃ “চোখ
বুজে গানের ভেতরে চলে যেতে যেতে
কৃষ্ণেন্দু এক সময় পরিষ্কার
টের পেল- সে একটি
দিঘির সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সেই
দিঘির জলে একটি রাজহাঁস
সাঁতার দিচ্ছে। সাদা পালক থেকে,
শরীর থেকে ঝরে যাচ্ছে
জল। জলের ফোঁটা।"
বা,
প্রবীণ আর নবীন লেখক
হাঁটতে হাঁটতে গলির মধ্যে একটি
মাদ্রাসার সামনে এসেছেন। চতুর্দিকে আরো সরু গলি-
তারই মধ্যে কোথাও ফ্যানের আর্মেচার তৈরির ছোটো কারখানা, বেকারি,
ধোপাখানা, বাসা বাড়ি, টাইমকল।
লেখা হল, " এই সব দুপুর
যেন একটি কমলালেবু। খোসা
ছাড়ালেই নরম কোয়া। গায়ে
ফিনফিনে শাঁস। যেমন এই দুপুরের
গায়ে লেগে থাকা রোদ্দুর।
আর তার সুন্দর গন্ধে
মনে হয়-্কোথায় ঢং
ঢং ঘন্টা বাজিয়ে পৃথিবীর সব স্কুল এইমাত্র
ছুটি হয়ে গেল।"
অথবা
রবার্ট ক্লাইভের সঙ্গে অলীক সংলাপের শেষটুকু-
" ও কী করছেন! মিস্টার
গভর্নর, ছাদের ও দিকটা ভাঙা
আছে। যাবেন না। পড়ে গেলে
কেলেঙ্কারি! ক্লাইভের পিছনে ছুটে গিয়ে অমল
এক জায়গায় থামতে বাধ্য হল। ... দু ফুট তফাতেই
পায়ের নীচে হাঁ করে
আছে অন্ধকার। আরো নীচে ঝোপঝাড়ে
জোনাকি ফুটফুট করছে। জোনাকি অন্ধকার বড় স্পষ্ট করে
দেয়।"
উপন্যাসের
প্রতিটি পর্ব শেষ হয়েছে
একটি অনুভবে, আশ্চর্য কোনো মুহূর্তে, চমকে
নয়- সেই সব মুহূর্ত
একই সঙ্গে জলবিন্দুর মতো স্বচ্ছ, আবার
মায়ায়, বিষাদে গাঢ় হয়ে মধুর
ঘন ফোঁটা হয়ে গিয়েছে। একটি
পর্বের উদাহরণ দিইঃ এক স্কুলে
অমল গুপ্ত লাস্ট বয়ের জন্য পুরস্কার
ঘোষণা করছেন- প্রতি বছর ক্লাস এইটের
লাস্ট বয়কে পুরস্কার দেওয়া
হবে- পর্বটি এইভাবে শেষ হচ্ছেঃ "একেবারে
শেষ বেঞ্চ থেকে একজন উঠে
এসে অমল গুপ্তর সামনে
দাঁড়াল। অমল তাঁর কাঁধে
হাত রেখে বলল- ... কোনো
মজা করার জন্য আমি
এই প্রাইজ দেওয়ার কথা বলি নি।
লাস্ট বয় হওয়া মানে
সেটাই জীবনের লাস্ট কথা নয়। কে
যে কোথায় কবে ফিতে ছিঁড়ে
বেরিয়ে যাবে কেউ জানে
না.... ছেলেটি তখনও দাঁড়িয়ে। অমল
বলল- তুমি রাগ করো
নি তো বাবা? ছেলেটি
মাথা নাড়ল। তার পর খুব
সহজ গলায় বলল- আপনার
কোন স্কুল?
ক্লাসঘরের
ভেতরের ছায়া যেন আরো
ঘন হয়ে এল অমলের
মুখে। বলল - সে এখন অন্য
দেশে। তার পাশে একটা
নদী ছিল। ফেরিঘাট ছিল।
স্কুলে জানলা দিয়ে দেখা যেত
সব। এক বার গিয়েছিলাম
ফিরে। কিন্তু আর কি ফিরে
পাওয়া যায়! তাই আমি
একজন লাস্ট বয় খুঁজছিলাম। তুই
আমার দেওয়া প্রাইজ নিবি তো বাবা?
ছেলেটি
প্রায় ফিসফিস করে বলল- নেব।"
একটি
উপন্যাস কী দেখে? কুন্দেরা
যেমন বলেন- একটি উপন্যাস শুধু
বাস্তব নয়, অস্তিত্বকে খুঁটিয়ে
দেখবে। অস্তিত্ব অর্থে শুধু যা ঘটেছে
সেটুকু নয়, মানুষের
অগাধ সম্ভাবনার রাজ্য তা। মানুষ যা
হয়ে উঠতে পারে। সর্বক্ষেত্রে,
সর্ববিষয়ে। সম্ভাবনার জগতটি আবিষ্কার করে একটি মানচিত্র
আঁকবেন সাহিত্যিক। এক্ষেত্রে তেমনই ঘটেছে, মনে করি। শুধু
প্রবীণ নয়, নবীন ও
প্রবীণ লেখকের অন্তর্জীবনের অন্বেষণে বেরিয়েছে এই উপন্যাস, অস্তিত্বর
অভিনবত্বকে অণুবীক্ষণের তলায় ফেলে অণু
পরমাণুকে দেখার চেষ্টা কাহিনীতে।
যদিও
আরো জটিলতা আশা করেছিলাম আখ্যানে,
উপস্থাপনায়। অমলকে
চিনতে অসুবিধে হয় নি। তাঁর
লেখার ধরণটি উপন্যাসে ব্যবহৃত , তাও বুঝতে পারি।
আমি এই জায়গাতেই আটকে
গিয়েছি। লেখাটি কাকে নিয়ে সেইটি
বুঝে ঐ খানেই আটকে
গিয়েছি। একজন লেখকের জীবনের
অন্বেষণে ছিলাম- তাঁর ভাবনা , তাঁর
জীবন, নবীনের সঙ্গে তাঁর ইন্ট্যার্যাকশন,
তাঁর দর্শন , বাঁচতে চাওয়া, লিখতে চাওয়া সব একক লেখকের
গন্ডী পার হয়ে যাক
, এই রকম কিছু চেয়েছিলাম
অবচেতনে। কিন্তু এ তো সেই
পাঠকের কথা, যে কোনোভাবে
কেন্দ্রীয় চরিত্রটিকে চিনে ফেলেছে।
যদি
কেউ না চিনে, না
জেনে পড়েন? তিনি কীভাবে পড়বেন
এই লেখকের কথা? তিনি কোথায়
পৌঁছবেন? তাঁর পাঠপ্রতিক্রিয়া একেবারেই
অন্যরকম হবে? সম্ভবত। হওয়াই
উচিত। লেখাটির মূল
সৌন্দর্য - তার
ভাষা চলন পরিবেশন তথা
জীবন ও শিল্পের গভীর
বোধ সে পাঠককে অন্যভাবে
স্পর্শ করবে। সম্ভবত ধাঁধিয়ে যাবে তার চোখ-
শিল্পের খুব কাছাকাছি এসে
দাঁড়ালে যেমন হয়। উপন্যাসের
সৌন্দর্য কিন্তু মূল চরিত্র সম্বন্ধে
ওয়াকিবহাল পাঠকের কাছেও এসে দাঁড়ায়- বিদ্যুৎঝলকের
মতো নয়, শান্ত চরণে।
নবীন
ও প্রবীণ সাহিত্যিকের ইন্ট্যারাকশন এই লেখার একটা
খুব বড় শক্তি- হয়তো
আখ্যানের আত্মাই এইখানে। সেইখানেই ঈষৎ একমাত্রিকতা এসেছে
বলে মনে হয়েছে; স্বপ্নে
স্বপ্নে মিলে যাওয়ার অলীক
মায়া, গুলিয়ে যাওয়ার খেলা ছিল আখ্যানে,
বাকি উপন্যাসে তা আর ফিরে
এলো না। যেটা হল,
এই পাঠকের অন্তত মনে হল, নবীন
লেখক প্রবীণ সাহিত্যিকের জীবন , গুপ্ত জীবন, দর্শন ইত্যাদির স্রেফ দর্শক ( সব শুষে নেওয়া
দর্শক, শ্রোতা যাই বলুন) ও
অনুগামী হয়েই রইলেন- নবীনের
নিজস্ব পাল্টা জোরালো
দর্শন অথবা প্রবীণের দর্শন
নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় তৈরি হল
না তার। সংশয় তো
যে কোনো লেখকের সত্তার
অংশ। নবীন কেবল একজন
অবসার্ভার , ভক্ত হয়েই রইলেন-
যার ফলে প্রার্থিত জটিলতা
বা ভিন্ন দুটি দর্শনের কোনো
সংঘাত তৈরি হওয়ার মতো
কোনো পরিস্থিতিই এলো না- এরকম
মনে হয়েছে আমার। একান্তই আমার মত। এ
হয়তো অণুবীক্ষণের তলায় দুটি অস্তিত্বের
অণু পরমাণুর অমোঘ কারসাজি- যা
চিরকাল ধাঁধায় ফেলে পাঠককে।
এবার
গুহায় ফেরার পালা। যে গুহা থেকে
বেরিয়ে এসেছিলাম। অ্যালিগোরি অফ কেভ অনুযায়ী,
সূর্যালোকে
অভ্যস্ত হয়ে যাওয়া চোখ
এবার গুহার অন্ধকারে কিছুই দেখতে পাবে না আর
বন্দীরা ভাববে, বাইরের দুনিয়ায় গেলে এই হালই
হয়, ফলে তারা শৃঙ্খলিত
হয়ে গুহাতেই থেকে যেতে চাইবে
; যদি কেউ তাদের বাইরে
নিয়ে যেতে চায়, বন্দীরা তাকে
হত্যা করতেও পিছপা হবে না সম্ভবত
।
সত্য
বা সুন্দরের প্রত্যাশীকে অন্ধ অথবা নিহত
হতেই হয়।
কৃতজ্ঞতা
স্বীকারঃ
১। শ্রী অরিন্দম বসুর
সঙ্গে কথোপকথন;
২। গল্পসরণির বিশেষ সংখ্যা- ২০০৯ এবং
২০১৮;
Comments
Post a Comment