সিম্পল প্যাশন
আমি কখনও নীল ছবি দেখি নি । ল্যাপটপ কিম্বা টেলিভিশনের স্ক্রীনে যোনি আর পুরুষাঙ্গর ঘর্ষণ দেখার অভিজ্ঞতা আমার ছিল না যা থেকে তীব্র কোনো অভিঘাত তৈরি হতে পারে। এই সব দৃশ্যের ক্লোজ আপে, ক্যামেরার বিভিন্ন অ্যাঙ্গলে নৈতিকতার বোধ চুরমার হয়ে নেশা তৈরি হয়, নারীর নাভির ওপর বীর্য পড়ে থাকার মত কিছু উদ্বেগের ছিটে তাতে। লেখাদের এরকম হওয়ার কথা। আমি এমন লিখি নি কোনদিন। এযাবৎ আমার ভূমিকা বরং সেই স্প্যানিশ সিনেমার লেখক চরিত্রের মতো - নিরিবিলিতে লিখবে বলে শহর থেকে দূরে এক গঞ্জে এসেছিল যেখানে একদল নেকড়ে আর সে ছিল সম্পূর্ণ বহিরাগত। সিনেমাটা আমি দশ মিনিট দেখে বন্ধ করে দিই, যখন লেখকের গায়ে আউটসাইডারের তকমা স্পষ্ট বুঝতে পারছিলাম; দেখছিলাম সেই শহরের যাবতীয় রহস্য লেখকের সামনে একই সঙ্গে উন্মোচিত এবং গোপন। ঠিক এইখানে আমি সিনেমা দেখা থামিয়ে একটা শহর বানাই মনে মনে, বাকি গল্পটা ভেবে নিতে থাকি আর ঐ লেখকের সঙ্গে আইডেন্টিফাই করি নিজেকে- ফ্রেমের বাইরে একজন কমপ্লিট আউটসাইডার। অথবা অনেক দূরের এক আখাম্বা হাওয়াকল, বাতাস ঘুরিয়ে আখ্যান তৈরি করে জনপদে ফিরিয়ে দেওয়া যার কাজ। এয়া...